ইসলামী জ্ঞান লাভকারীরা সর্বোত্তম ব্যক্তি


وَعَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ النَّاسُ مَعَادِنُ كَمَعَادِنِ الْفِضَّةِ وَالذَّهَبِ خِيَارُهُمْ فِي الْجَاهِلِيَّةِ خِيَارُهُمْ فِي الْإِسْلَامِ إِذَا فَقِهُوا. رَوَاهُ مُسْلِمٌ


আবূ হুরাইরাহ [রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু] হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ বলেছেন,

“সোনা-রূপার খনির ন্যায় মানবজাতিও খনিবিশেষ। যারা জাহিলিয়্যাতের (অন্ধকারের) যুগে উত্তম ছিল, দ্বীনের জ্ঞান লাভ করার কারণে তারা ইসলামের যুগেও উত্তম”

[বুখারী ৩৩৮৩, অধ্যায়ঃ আম্বিয়া কিরাম, পরিচ্ছেদঃ ৬০/১৯]

ব্যাখ্যাঃ মানুষ সম্মান ও হীনতার দিক দিয়ে বংশগত ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে যেমন- স্বর্ণ, রূপা ও অন্যান্য পদার্থের খনি বিভিন্ন রকম হয়। খনির সাথে মানুষকে সাদৃশ্য দেয়ার অন্য কারণ এমনও হতে পারে– মানুষ যেমন সম্মান, জ্ঞান-বিজ্ঞানকে সংরক্ষণকারী খনি, তেমন উৎকৃষ্ট পদার্থ ও উপকারী বস্তুর অংশ সংরক্ষণকারী। হাদীসে বলা হয়েছে, যারা জাহিলী যুগে সর্বোত্তম গোত্রের আওতাভুক্ত ছিল, অর্থাৎ কৃতিত্ব, উত্তম গুণাবলী, জ্ঞানে, বীরত্বে, অন্যের সমকক্ষ হওয়া সত্ত্বেও কুফর ও মূর্খতার অন্ধকারে ঢাকা ছিল; তারা মূলত খনিতে থাকা ঐ স্বর্ণ রৌপ্যের মতো যা প্রথমে মাটি মিশ্রিত থাকে এবং পরে স্বর্ণকারগণ তা আহরণ করে মাটি হতে আলাদা করে নেয়। জাহিলী যুগের সর্বোত্তম ব্যক্তিগণ যখন ইসলামী যুগে শরী‘আতী জ্ঞান লাভ করে, তখন সে তার জ্ঞান ও ঈমানের আলোতে আলোকিত হয়।
[মিশকাতুল মাসাবীহ, হাদীস নং- ২০১, অধ্যায়ঃ ইল্‌ম]

No comments

Theme images by Blogger. Powered by Blogger.